৬ এপ্রিল, ২০২৬

হত দরিদ্রদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

হত দরিদ্রদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

হত দরিদ্রদের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

দেশের হত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ পরিবারকে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল ও পুষ্টিচাল সরবরাহ করা হচ্ছে।

গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদে নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফীর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ব্যাপ্তি

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারের খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির মাধ্যমে বর্তমানে ৪৯৫টি উপজেলায় ৫৫ লাখ পরিবারকে বছরে ৬ মাস (আগস্ট-নভেম্বর এবং মার্চ-এপ্রিল) সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায়:

প্রতি উপকারভোগী পরিবার প্রতি মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল পাচ্ছেন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই খাতে মোট ১০ লাখ মেট্রিক টন চালের বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

চলতি বছরের ১৯ মার্চ পর্যন্ত ইতোমধ্যে ৭.৯৩ লাখ মেট্রিক টন চাল বিতরণ সম্পন্ন হয়েছে।

পুষ্টি চাহিদা পূরণে পুষ্টিচাল

হত দরিদ্র মানুষের পুষ্টির অভাব দূর করতে সরকারের বিশেষ উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২৪৮টি উপজেলায় ৩.৭ লাখ মেট্রিক টন পুষ্টিচাল সরবরাহ করা হচ্ছে। এই চাল ভিটামিন এ, বি-১, বি-১২, বি-৯ (ফলিক এসিড), আয়রন ও জিংক সমৃদ্ধ।

ওএমএস ও বাজার নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম

বাজারদর নিয়ন্ত্রণে ও নিম্ন আয়ের মানুষের সুবিধার্থে ওএমএস (OMS) কার্যক্রমের বিস্তারিত তুলে ধরে তিনি জানান:

১২টি সিটি কর্পোরেশন ও জেলা সদরসহ মোট ১,০৯১টি বিক্রয়কেন্দ্রে ৩০ টাকা কেজি দরে চাল এবং ২৪ টাকা কেজি দরে আটা বিক্রি হচ্ছে।

উপজেলা পর্যায়ে চালের ঊর্ধ্বমূল্য ঠেকাতে ৪১৮টি উপজেলায় ৮৩৬টি বিশেষ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে ৩০ টাকা দরে চাল বিক্রি করা হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন যে, সাধারণ মানুষের নাগালে খাদ্যের দাম রাখা এবং পুষ্টি নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।